বাংলাদেশের ৩৫টা Forrest Dwellers or Ethnic group
নিজেদের বাংলাদেশের আদিবাসী বলে অভিযোগ করেছেন এবং অধিকার প্রতিষ্টার আন্দোলন করছেন ।এই উচুভূমির বা পাহাড়ের অধিবাসী রা কি সত্যেই বাংলাদেশের আদিবাসী ? ঐতিহাসিক দের মতে বর্তমান বাঙালিই বাংলাদেশের আদিবাসী ! উকিপিডিয়া সহ অন্যান্য তথ্যের মধ্যে ও এর গভীরতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে ! 200৮ সালে ড . আবুল বারাকাত এর সুপারভাইজে একটি গবেষণা পেপার তৈরী হয়েছে (যা আমার ব্লগে গতকাল প্রকাশিত হয়েছে ) তার মধ্যে ও তেমন গভীরতা দেখা যাচ্ছে না ।কিন্তু আমার ব্লগে Human race এর উপর একটি কালেকশন করা লেখা প্রকাশ করা হয়েছে প্রায় দুই বছরের ও আগেই ।তা থাকে জানা যায় লাখ লাখ বছরের ও আগেই বর্তমানের বঙ্গপসাগরের উপর দিয়ে একটি স্থল পথ ছিল ।যা দিয়ে এই অঞ্চলে অষ্টেলিয়া , পশ্চিম ইউরোপের কিছু দেশ ও আরবের পশ্চিম অঞ্চলের এবং আফ্রিকার কিছু প্রাচীর আদিবাসী লোকদের এ দেশে আগমন ঘটে । এর অনেক পরে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার ও কিছু লোক এ অঞ্চলে বসবাস স্থাপন করে । এদের সঙ্গে অনেক পারে আরাকান ও আসে পাশের পাড়াড়ী এলাকার অনেক দেশের অধিবাসী এ দেশে নিজদের নিরাপত্তা র জন্যে এ দেশের পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাসের ব্যবস্থা করতে সমর্থ হয় । বর্তমানে তারা ই নিজদের আদিবাসী দাবি করেছে ।কিন্তু যে সব লোকজন পূর্বেই বঙ্গপসাগর পাড়ি দিয়ে লাখ লাখ বছরের ও আগেই এদেশে বিভিন্ন ভাবে নানা অঞ্চলে বসবাসরত ছিল এরাই এ দেশের অরিজিন্যাল আদিবাসী ।অর্থাৎ এসব লোকজন ই এ দেশের আসল আদিবাসী । এরা প্রথমে ছোট ছোট রাজ্য স্থাপন করে বসবাস আরম্ভ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে । একসময়ের তাদের যাযাবরের লাইফস্টাইলে র পর । এর অনেক পরে এ অঞ্চলে আর্যদের আগমনের পারে তাদের ধর্মীয় বিশ্বাস এই দেশের দ্রাবিড়ের উপর চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা কালে সমতলের কিছু আদিবাসী দাবিদার যারা একসময় দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া সহ অন্যান্য অঞ্চল থেকেই এ দেশে আগমন করে পাহাড়ি অঞ্চলে গমনে বাধ্য হয় নিজের ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় বিশ্বাস ও কালচারাল ও হেরিটেজ ইত্যাদি আর্যদের আগ্রাশন থেকে রক্ষা করতে , এরাই এখন ঐ ৩৫ গুষ্ঠি ই এথনিক জনগুষ্টির লোক যারা এখন নিজদের এ দেশের আদিবাসী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে জাতিসঙ্গে র সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করতে আগ্ৰহী হয়ে উঠেছে।
এ প্রসঙ্গে ঐতিহাসিক অন্নদাশঙ্কর রায় ও ডঃ তারাশঙ্কর ও সিলেট ও খাছাড় জেলার ইতিহাসের লেখক ও গবেষক সূজিত চৌধুরী সহ
অনেক ঐতিহাসিক রা পশ্চিম বঙ্গের মাটি খননে যে ফশীল পাওয়া গেছে তা বিশ্লেষণ করে ঐ মতোই সঠিক বলেছেন। তারা ঐ সব কঙ্কালের মুণ্ড পরীক্ষা করে দেখেছেন যে ,এই সব কঙ্কালের মুণ্ডের সঙ্গে ইউরোপীয় অঞ্চলের এবং আরবের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের ফশিলের মুণ্ডের সাদিশ্য পেয়েছেন । এর থেকে ব্যপার টা নিশ্চিতরূপে প্রমাণিত করেছেন। এ অঞ্চের লোকের রক্তে নমুনা পরিক্ষা করে ঐ এরিয়ার লোকদের সঙ্গে বাঙালিদের রক্তের সাদৃশ্য লক্ষ্য করা গেছে ।
লেখা টি ছোট করতে অনেক তথ্য বাদ দিতে হয়েছে।তাড়াতাড়ি লেখা য় অনেক ভূল ভ্রান্ত রয়েছে যা পরে এসব দূরের চেষ্টা করা হব!
নিজেদের বাংলাদেশের আদিবাসী বলে অভিযোগ করেছেন এবং অধিকার প্রতিষ্টার আন্দোলন করছেন ।এই উচুভূমির বা পাহাড়ের অধিবাসী রা কি সত্যেই বাংলাদেশের আদিবাসী ? ঐতিহাসিক দের মতে বর্তমান বাঙালিই বাংলাদেশের আদিবাসী ! উকিপিডিয়া সহ অন্যান্য তথ্যের মধ্যে ও এর গভীরতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে ! 200৮ সালে ড . আবুল বারাকাত এর সুপারভাইজে একটি গবেষণা পেপার তৈরী হয়েছে (যা আমার ব্লগে গতকাল প্রকাশিত হয়েছে ) তার মধ্যে ও তেমন গভীরতা দেখা যাচ্ছে না ।কিন্তু আমার ব্লগে Human race এর উপর একটি কালেকশন করা লেখা প্রকাশ করা হয়েছে প্রায় দুই বছরের ও আগেই ।তা থাকে জানা যায় লাখ লাখ বছরের ও আগেই বর্তমানের বঙ্গপসাগরের উপর দিয়ে একটি স্থল পথ ছিল ।যা দিয়ে এই অঞ্চলে অষ্টেলিয়া , পশ্চিম ইউরোপের কিছু দেশ ও আরবের পশ্চিম অঞ্চলের এবং আফ্রিকার কিছু প্রাচীর আদিবাসী লোকদের এ দেশে আগমন ঘটে । এর অনেক পরে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার ও কিছু লোক এ অঞ্চলে বসবাস স্থাপন করে । এদের সঙ্গে অনেক পারে আরাকান ও আসে পাশের পাড়াড়ী এলাকার অনেক দেশের অধিবাসী এ দেশে নিজদের নিরাপত্তা র জন্যে এ দেশের পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাসের ব্যবস্থা করতে সমর্থ হয় । বর্তমানে তারা ই নিজদের আদিবাসী দাবি করেছে ।কিন্তু যে সব লোকজন পূর্বেই বঙ্গপসাগর পাড়ি দিয়ে লাখ লাখ বছরের ও আগেই এদেশে বিভিন্ন ভাবে নানা অঞ্চলে বসবাসরত ছিল এরাই এ দেশের অরিজিন্যাল আদিবাসী ।অর্থাৎ এসব লোকজন ই এ দেশের আসল আদিবাসী । এরা প্রথমে ছোট ছোট রাজ্য স্থাপন করে বসবাস আরম্ভ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে । একসময়ের তাদের যাযাবরের লাইফস্টাইলে র পর । এর অনেক পরে এ অঞ্চলে আর্যদের আগমনের পারে তাদের ধর্মীয় বিশ্বাস এই দেশের দ্রাবিড়ের উপর চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা কালে সমতলের কিছু আদিবাসী দাবিদার যারা একসময় দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া সহ অন্যান্য অঞ্চল থেকেই এ দেশে আগমন করে পাহাড়ি অঞ্চলে গমনে বাধ্য হয় নিজের ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় বিশ্বাস ও কালচারাল ও হেরিটেজ ইত্যাদি আর্যদের আগ্রাশন থেকে রক্ষা করতে , এরাই এখন ঐ ৩৫ গুষ্ঠি ই এথনিক জনগুষ্টির লোক যারা এখন নিজদের এ দেশের আদিবাসী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে জাতিসঙ্গে র সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করতে আগ্ৰহী হয়ে উঠেছে।
এ প্রসঙ্গে ঐতিহাসিক অন্নদাশঙ্কর রায় ও ডঃ তারাশঙ্কর ও সিলেট ও খাছাড় জেলার ইতিহাসের লেখক ও গবেষক সূজিত চৌধুরী সহ
অনেক ঐতিহাসিক রা পশ্চিম বঙ্গের মাটি খননে যে ফশীল পাওয়া গেছে তা বিশ্লেষণ করে ঐ মতোই সঠিক বলেছেন। তারা ঐ সব কঙ্কালের মুণ্ড পরীক্ষা করে দেখেছেন যে ,এই সব কঙ্কালের মুণ্ডের সঙ্গে ইউরোপীয় অঞ্চলের এবং আরবের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের ফশিলের মুণ্ডের সাদিশ্য পেয়েছেন । এর থেকে ব্যপার টা নিশ্চিতরূপে প্রমাণিত করেছেন। এ অঞ্চের লোকের রক্তে নমুনা পরিক্ষা করে ঐ এরিয়ার লোকদের সঙ্গে বাঙালিদের রক্তের সাদৃশ্য লক্ষ্য করা গেছে ।
লেখা টি ছোট করতে অনেক তথ্য বাদ দিতে হয়েছে।তাড়াতাড়ি লেখা য় অনেক ভূল ভ্রান্ত রয়েছে যা পরে এসব দূরের চেষ্টা করা হব!
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন